follow us at instagram
Tuesday, August 11, 2020

পরিবার ও আমাদের জীবন জুড়ে থাকুক দাদু, নানুদের ভালবাসা

https://taramonbd.com/wp-content/uploads/2019/12/1080x720-blank-gp.jpg

দাদা-দাদি ও নানা-নানির সাথে আসলে কতটুকু সময় আপনি কাঁটাতে পারবেন তা খুব বেশি অনিশ্চিত। তাঁদের বয়স ও স্বাস্থ্যের উপর নির্ভর করে তাদের জীবনের সময় পরিধি। অনেকেই আবার এমনও আছে যারা দাদা-দাদি ও নানা-নানিকে দেখার সৌভাগ্য পায়নি। তাই যাদের পরিবারে  পিতামহ আছেন তারা তাদের জীবনের অনেক বড় জায়গাজুড়ে রাখতে পারেন গুরুজনের আশীর্বাদ।

তাদের গল্প

দাদু, নানুর সাথে গল্প জুড়ে দিলে সারাদিন পার হয়ে যায়। গল্পের ঝুড়িতে আপনার শৈশব সহ পুরো পরিবারের সবার স্মৃতি বিজড়িত গল্পের সমাহার পাবেন। এছাড়া তাদের সময়কার গল্প-কাহিনীতো থাকছেই। ভাবুন তো তাঁরা কততা নিঃসঙ্গ অনুভব করতে পারে। একসময় তাঁদের শক্তি ছিল আমাদের জন্যে তখন কত কষ্ট, কত মেহনত করেছেন তাঁরা। আর এখন একাকী সময় হয়ত পার করতে হয়। তাই তাঁদের সাথে গল্প করলে তাঁরা যেমন সঙ্গ পায়, তেমনি আপনার জ্ঞানের ভান্ডার ও সমৃদ্ধ হয়।

তাদের মতামত 

তারা যতই পুরোনো হোক না কেন তাদের মতামত সর্বদা সঠিক হয়। এটা আপনি কখনো অস্বীকার করতে পারবেন না। যে কোন ব্যাপারে তাদের অভিজ্ঞ মতামত আপনার জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাঁরা অনেক টা সময় জীবনের পার করেছেন। অনেক কিছু দেখেছেন, তাঁরা অনেক জানেন তাই সব সময় তাঁদের পরামর্শ নিয়ে চলার চেষ্টা করবেন। এতে আপনার ভাল হবে, পাশাপাশি তারাও নিজেদের অক্ষম মনে করবে না। তাঁদের জ্ঞানের আলো ছড়াবে আপনার মাঝে।

সম্পর্কের গুরুত্ব বুঝতে পারা

পরিবারের সবাইকে আগলে রেখে এতো দূর পর্যন্ত সবকিছু চালনা করে নিয়ে আসেন তারা। ছেলে-মেয়ে, বউ-শাশুড়ি, নাতি-নাতনি কোন সম্পর্কই তাদের পর্যালোচনার বাইরে নেই। তাদের সাথে যত বেশি সময় কাটানো হবে  জীবনে সম্পর্কগুলোর গুরুত্ব তত বেশি ভালভাবে বোঝা যাবে। পৃথিবী সম্পর্কে অভিজ্ঞ ধারনা পাওয়া

 

দাদা-দাদি ও নানা-নানি হচ্ছে পরিবারের সবচেয়ে বৃদ্ধ সদস্য যারা জীবনের প্রায় সব ধাপ পেরিয়ে এই পর্যায়ে এসে পৌঁছেছেন। কাজেই ওনাদের প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা থেকে আমরা নিজেরাও জীবন, সমাজ ও বিশ্বের অনেক তথ্য ও ধারনা নিতে পারি।

তাদের খেয়াল রাখা আমাদের কর্তব্য। তাদের সাথে গল্প করার মাধ্যমে তাই অনেক কিছু জানা যায়। পরিবারের সাথে ভালবাসার অটুট বন্ধনের সুতোর এক প্রান্তে যদি থাকে বাবা-মা তো অপর প্রান্তে থাকে গুরুজন। তাদের অঢেল ভালবাসা,স্নেহ ও যত্নের মাঝেই আমাদের বেড়ে ওঠা।

আপনার পরিবারের গুরুজনের সাথে আপনি কিভাবে সময় অতিবাহিত করেন? শেয়ার করুন আমাদের সাথে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *