follow us at instagram
Monday, April 06, 2020

যে ১০ দক্ষতা জীবন বদলাতে পারে যেকোনো পরিস্থিতিতে

জীবনকে এগিয়ে নেয়া বা সাফল্যের জন্য প্রয়োজন কিছু অনিবার্য দক্ষতা।
https://taramonbd.com/wp-content/uploads/2019/10/pc-off.png

সবাই সাফল্যের গল্প খুব পছন্দ করে। মনোযোগ দিয়ে পড়ে। অনুপ্রাণিত হয়। কিন্তু যে বিষয়টি সবাই এড়িয়ে যায়, তাহল, কোন সাফল্যই সহজে আসেনা। সহজে যে সাফল্য আসে, তার নিচে অনেক ফাঁক ফোকর থাকে। যেমন ধরুন, একজন লটারিতে হুট করে টাকা পেল। সেই টাকা ধরে রাখা এবং ঠিকমত খরচ করতে যদি সে না পারে তবে তাকে সাফল্য বলা যাবেনা। আবার ধরুন, কেউ ঘুষ দিয়ে কোন চাকরিতে ঢুকল, যেহেতু সে ঘুষ দিয়ে ঢুকেছে, তাকেও ঐ টাকা তোলার জন্য হলেও অসদুপায় অবলম্বন করতে হবে। তখন তার জীবনে নানারকম অশান্তি তৈরি হবে, যা হয়তো আপাত দৃষ্টিতে চোখে না পড়লেও সে বা তার পরিবার প্রচ্ছন্নভাবে ঠিকই জানবে কোথায় কেন অশান্তি তৈরি হচ্ছে।   

যাইহোক, সাফল্যের সংজ্ঞা এক একজনের কাছে এক একরকম। কিন্তু জীবনকে অন্যের ক্ষতি না করে এগিয়ে নেয়া বা বিকাশ ঘটানোকেই মূলত সরল ভাষায় সাফল্য বলে। এরপর এই সংজ্ঞাকে যতখুশি তত বিস্তৃত, পরিবর্ধন ও পরিমার্জন সম্ভব। কিন্তু জীবনকে এগিয়ে নেয়া বা সাফল্যের কোন যুগেই শর্টকাট ছিল না। জীবনকে এগিয়ে নেয়া বা সাফল্যের জন্য প্রয়োজন কিছু অনিবার্য দক্ষতা। এই দক্ষতাগুলো একজন মানুষ জীবনের যে পরিস্থিতিতেই থাকুন, অর্জনের চেষ্টা করলে তার জীবনে ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসবেই।

আরেকটি বিষয় হল এই দক্ষতাগুলো লিঙ্গ, বয়স, শ্রেণী নির্বিশেষে যেকেউ চর্চা করতে পারে। 

১। সময় ব্যবস্থাপনা

সময় ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব সবাই বোঝেনা। বুঝলে শৈশব থেকে অনুশীলন করত। যাইহোক, Better late than never. সময়কে হাতের মুঠোয় আনতে হলে আগে শরীর ও মনের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে। ঘুম থেকে ভোরে উঠতে হবে। সেটা ৫টা,৬টা বা ৭টা হতে পারে। কিন্তু কোনভাবেই ৮টা নয়। ৭টার আগে ঘুম থেকে উঠতে পারলে অনেকটা সময় পাওয়া যায়। ব্যায়াম করা, গোসল করা, সকালের নাস্তা করা এবং তারপর যেকোনো কাজের জন্য প্রস্তুত হওয়া যায়। আর ঘুম থেকে আগে উঠতে হলে ঘুমাতে যেতে হবে ১১-১২টার মধ্যে। একজন মানুষের নুণ্যতম ৬ ঘণ্টা গভীর ঘুম না হলে তার মন ও মস্তিষ্ক ঠিকভাবে কাজ করেনা। শরীরে দীর্ঘমেয়াদী অসুখ বাসা বাধতে শুরু করে, কোনকিছুতে মনোযোগ দেবার ক্ষমতা চিরস্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যায়, কর্মক্ষমতাও কমে যায়। সাধারণত রাত জেগে সোশ্যাল মিডিয়ায় লক্ষ্যহীন ব্রাউজিং ঠিক সময়ে ঘুম না হবার কারণ এখন সবার। জীবনে পরিবর্তন আনতে হলে এটাই আগে বাদ দিতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়া ব্রাউজিং এর জন্য নির্ধারণ করতে হবে একটি নির্দিষ্ট সময়। যেমন ১৫-২০ মিনিট ঘুমানোর দু ঘণ্টা আগে, এমন হতে পারে নিয়মটা। ঘুম ও সময় কিভাবে হাতের মুঠোয় আনবেন, এজন্য পড়তে পারেন হাল ইলরডের অসাধারণ দুনিয়াখ্যাত বই ‘মিরাকল মর্নিং’। 

২। চাপ সামলানোর ক্ষমতা অর্জন

যেকোনো মানসিক চাপে মাথা ঠাণ্ডা রাখার জন্য Stress Management জানাটা এই যুগে খুবই জরুরি। কথায় বলে, ‘রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন’ । তবে শুধু রাগ নয়, দুশ্চিন্তা, অতিমাত্রায় কোনকিছু নিয়ে ভাবা, অপরিমিত আবেগ ইত্যাদিও সামলাতে জানতে হবে। এজন্য প্রতিদিন ১০ মিনিট যোগ ব্যায়াম করতে হবে। এটি এখন সার্বজনীন এবং সারা বিশ্বের যেকোনো ধর্ম বর্ণের মানুষই করতে পারে। এছাড়া  নিরিবিলিতে প্রতিদিন একা ১০-১৫ মিনিট সময় কাটানো এবং ইতিবাচক কথা নিজেকে মনে মনে বললেও অনেক উপকার পাওয়া যায়। অনেক সময় প্রার্থনা, নামাজ ইত্যাদিও কাজে দেয়। এছাড়া কিছু কাজ যেমন মুক্ত বাতাসে হাটা, সাতার কাটা, ট্র্যাকিং, বেশি পরিমাণ শাক সবজী খাওয়া প্রতিদিন, পুরানো বন্ধু বা প্রিয় পরিবার পরিজনের সাথে কিছু সময় কাটালেও স্ট্রেস কমে এবং প্রাণবন্ততা ফিরে পাওয়া যায়।

৩। নিজের খাবার নিজেই তৈরি করা

জমি থাকলে শাকসবজি, ধান, মাছ, হাস-মুরগী পালন ইত্যাদি করতে পারলে অর্থাভাবের সম্ভাবনা থাকেনা। এধরণের কাজ পেশাগতভাবেও করা যায়, অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে এসব বিষয় পড়ানো হয়, যেকোনো উচ্চশিক্ষিত মানুষও পদ্ধতিগতভাবে এসব কাজ করতে পারে এখন। তবে এসব করার সুযোগ না থাকলে এধরণের কোন একটি কাজের সাথে নিজেকে সীমিতভাবে যুক্ত রাখলেও অনেক প্রেরণা পাওয়া যায়। উদাহরণ সরূপ বাড়ির সামনে এক চিলতে উঠোন বা ছাদে কয়েকটি টব বা মাচাতে শাক সবজী রোপণ করা যায়।  

এছাড়া রান্নার মত জরুরি দক্ষতাও থাকা দরকার। এটা আসলে শুধু নারীদের কাজ নয়। এটা একটি সার্ভাইবাল এবিলিটি। রান্নার জন্য কারও উপর নির্ভরশীল হলে জীবন নিজের মুঠোর বাইরে অর্ধেকটা চলে যাবে। যারা ভাল রান্না পারেন এবং নিজের রান্না নিজেই করেন তাদের শরীর মন ভাল থাকে, ফলে আলস্য বাসা বাধে না এবং সমস্যা কমে আসে জীবনে। রাঁধুনিরা কখনও পৃথিবীর কোন দেশে বেকার ও দরিদ্র থাকেনা। 

৪। ভাল লাগার কাজ ৮ ঘণ্টা মনোযোগ দিয়ে করতে পারার ক্ষমতা

নিজের প্যাশন কি এটা বুঝতে হলে কোন কাজ অবশ্যই নুণ্যতম ৮ ঘণ্টা মনোযোগ দিয়ে অবিচ্ছিন্নভাবে করতে হবে। এখন স্পেশালাইজেশনের যুগ। যেকোনো একটি কাজে বিশেষজ্ঞ হতে হবে। কোন কাজে বিশেষজ্ঞ হতে হলে প্রচুর মনোযোগ, ভাল লাগা ও ধৈর্য দরকার। অতএব কি কাজে বিশেষভাবে দক্ষ হতে চান, সেটা আগে বুঝতে হবে এবং ঠিক করতে হবে। তারপর সেটা প্রতিদিন নূন্যতম ৮ ঘণ্টা করে যেতে হবে। করতে করতেই মানুষ সেই বিষয়ে প্রথমে কর্মী, তারপর দক্ষ কর্মী, একদিন বিশেষজ্ঞ হয়ে ওঠে। ফলে সেই বিষয়ে বাজারে ঐ বিশেষজ্ঞের উপযোগিতা বা চাহিদা তৈরি হয়। এবং এটা শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে পেশাজীবী সবার জন্য সত্য। 

ধরুন, আপনি বনসাই বানাতে পারেন ভাল। এখন বনসাইয়ের বাজার খুবই সীমিত এবং ছোট আমাদের দেশে। কিন্তু চিন্তা করুন, আপনি যদি প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা বনসাই সম্পর্কে গবেষণা, বনসাই তৈরি ও চর্চা করেন, বাজার যতই ছোট হোক, এই বিষয়ে নিয়মিত চর্চার ফলে আপনি বিশেষজ্ঞ হয়ে যাবেন এবং আপনার ব্যাপক উপযোগিতা তৈরি হবে। প্রতিটি কাজই এমন। অতএব যেকোনো ভাললাগার কাজে নিজেকে যুক্ত করে নিজেকে বিশেষজ্ঞ হিসেবে তৈরি করার জন্য প্রতিদিন নুন্যতম ৮ ঘণ্টা ঐ কাজে মনোযোগী হন।

৫। যোগাযোগ দক্ষতা ও নেটওয়ার্কিং

যোগাযোগ দক্ষতা ও নেটওয়ার্কিং হল এখন সবচেয়ে দামী দক্ষতা। কারো সাথে নিজে থেকে পরিচিত হওয়া, তার সম্পর্কে জানা, নিজের সম্পর্কে জানানো একটি অসাধারণ গুন।  বয়স, সম্পর্ক ভেদে মানুষের সাথে মানুষের যোগাযোগের ভাষা বদলে যায়। পরিমিত বোধ, মানে কোথায় কথা থামাতে হবে বোঝা, মনোযোগ দিয়ে কথা অন্যদের শোনা, কারও সাথে বাজে ব্যবহার না করা, শত্রু হলেও নূণ্যতম সৌজন্য বোধ বজায় রাখাটা যোগাযোগ দক্ষতার অংশ। কোনও ব্যক্তির সাথে পরিচিত হলে তার নাম ও গুন মনে রেখে পরবর্তীতে তার সাথে আচরণ করাই যোগাযোগ দক্ষতা অর্জনের প্রথম ধাপ। নিয়মিত যোগাযোগ রাখা, খোঁজখবর রাখা এখন এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে সহজ আবার কঠিনও। কিন্তু নিয়মিত যোগাযোগ চালিয়ে যাওয়াটা একটি চর্চার বিষয়। অতএব চর্চা থাকতে হবে। 

তাছাড়া যোগাযোগ দক্ষতা ব্যক্তির দক্ষতার উপযোগিতা তৈরি করতে প্রধাণ ভূমিকা রাখে। ধরুন আপনি একজন বনসাই বিশেষজ্ঞ। কিন্তু আপনি খুবই হতাশ, কারণ আপনার এই দক্ষতা দিয়ে কিভাবে অর্থ উপার্জন করবেন বা অন্যরা তা জানবে, আপনি বুঝতে পারছেন না। এর একমাত্র সমাধান হল যোগাযোগ দক্ষতা ও নেটওয়ার্কিং তৈরি। কারা বনসাই পছন্দ করে, কারা কিনবে, কিভাবে কিনবে, কিভাবে এর প্রচারণা করলে আপনি নিয়মিত ক্রেতা তৈরি করতে পারবেন, এই পুরো প্রক্রিয়া বোঝা ও কার্যকর করা সম্ভব যদি যোগাযোগ দক্ষতা চর্চা ও নেটওয়ার্কিং দক্ষতা ভাল হয়। তাহলেই ভাবুন, এই দক্ষতাটা কতটা জরুরি। 

৬। ভাষাগত দক্ষতা ও জনসমক্ষে কথা বলা

ইংরেজি এবং নিজের মাতৃভাষায় শুদ্ধভাবে বলতে ও লিখতে পারাটা বড় একটি দক্ষতা। সাধারণত ভুল হোক, শুদ্ধ হোক, কারও সাথে কথা বলা, ফ্রি হ্যান্ড রাইটিং করা প্রতিদিন, আর্টিকেল পড়া, বই পড়া, সিনেমা দেখা ইত্যাদির মাধ্যমে ইংরেজি ও বাংলা তাড়াতাড়ি শেখা যায়। নিয়মিত ফ্রি হ্যান্ড রাইটিং চর্চার জন্য একটি ব্লগ তৈরি করা যায় অনলাইনে। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত লেখা আপাত দৃষ্টিতে কাজের মনে হলেও আসলে এটা মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটায়। তাই ব্লগই ভাল। 

এছাড়া প্রচুর বই পড়তে হবে। প্রতিদিন অন্তত কোন বইয়ের ১০-৩০ পেজ পড়তে হবে, এতে শব্দভাণ্ডার বৃদ্ধি পাবে এবং নার্ভাসনেস কেটে যাবে। জনসমক্ষে কথা বলার জন্য ভাল শব্দ ভাণ্ডার জানা থাকলে সেটা সহজ হয় এবং জড়তা থাকবেনা বলায়। এই দক্ষতা পেশাগত জীবনে প্রেজেন্টেশন ও অন্যদের সাথে সুষম আচরণে খুব কাজে দেয়। আর যারা লেখালেখি ও সৃজণশীল বিনোদনের দুনিয়ার সাথে যুক্ত থাকতে চান, তাদের জন্য ভাষাগত দক্ষতাতো মাস্ট। 

৭। ভাল সিভি বা পোর্টফোলিও লেখা

ভাল সিভি বা পোর্টফোলিও না থাকলে আসলে যা ই শেখা হোক, যত দক্ষতাই থাকুক, অর্থহীন হয়ে যাবে। কেননা, দক্ষতাগুলো সম্পর্কে জানানোর মাধ্যম হল ভাল সিভি বা পোর্টফোলিও। সব জবের জন্য একই সিভি না পাঠিয়ে প্রতিটি আবেদনকৃত জবের জন্য আলাদা আলাদা সিভি পাঠাতে হয়। সেক্ষেত্রে একটি সিভি বানিয়ে কোন চাকুরীতে আবেদনের আগে ওটাকে সম্পাদনা করে পাঠাতে হবে। ঐ চাকুরীর বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা প্রয়োজন অনুযায়ী, অবজেক্টিভ ও সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতা লিখতে হবে। যদি সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতা না থাকে, বিদ্যমান অভিজ্ঞতা দিয়ে কিভাবে কাজ করা সম্ভব সেটা দুই-তিন লাইনে লেখা যায়। মোটকথা সিভি বা রিজিউম কোনভাবেই ২-৩ পেজের বেশি বানানো যাবেনা। অন্যদের চেয়ে ধরণ যথা সম্ভব আলাদা করতে গিয়ে আবার নানা সাইজের ও রঙের ফন্ট ব্যাবহার করবেন না। অনলাইনে নিজের পোর্ট ফোলিও ওয়েবসাইটও সাধারণ রাখবেন, তবে সেখানে কাজগুলোর বিস্তারিত বিবরণ রাখা যেতে পারে।

৮। ওয়েবসাইট তৈরি

এখন যুগ ইন্টারনেট ও তথ্য প্রযুক্তির। ওয়েবসাইট তৈরি করতে জানলে নিজের পোর্টফোলিও তৈরি ও মেন্টেন করাতো সহজ হয়ই , সেইসাথে বেকার থাকার সম্ভাবনাও থাকেনা। ওয়েবসাইট তৈরি জানাটা হল কিছুটা টেইলারিং জানার মত। কখনও এর চাহিদা ফুরাবেনা। অতএব কয়েকটা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শিখে কোন প্রতিষ্ঠান থেকে বা ইউটিউব দেখে দেখে শিখে ফেলুন। 

৯। হিসাব নিকাশ, সঞ্চয় ও বিনিয়োগ পরিকল্পনা ও কার্যকর

সঞ্চয় ও হিসেব করার ক্ষমতা না থাকলে জীবন বেহিসেবী হয়ে যাবে যতই দক্ষতা থাকুক। এক্সেল শিটে বা হিসেবের খাতায় প্রতিদিন বেসিসে খরচ লিখে রাখতে হবে। মাসিক বাজেট ও পরিকল্পনা করতে হবে। এতে আগে থেকেই খরচের খাতগুলো জেনে ব্যবস্থা নেয়া সহজ হবে। যথাসম্ভব খরচের খাত সীমিত রাখতে হবে। ভ্রমণ, চিকিৎসা ব্যয়, শিক্ষা ইত্যাদির জন্য আলাদা আলাদা খাম বা ব্যাংক রাখা যেতে পারে ঘরে। এছাড়া কোন ব্যাংকের কি কি স্কিম আছে সে অনুযায়ী সঞ্চয় পরিকল্পনা গ্রহণ করা যায়। শুধু সঞ্চয় করলেই হবেনা, বিনিয়োগ করতে হবে। সঞ্চয়পত্র কেনা, প্রাইজ বন্ড কেনা খুবই সহজ। এগুলো বিপদ আপদ বা যেকোনো উদ্যোগ গ্রহণে খুব কাজে দেবে। তবে কোন ব্যবসায় টাকা খাটানোর ঝুঁকি গ্রহণ করার আগে অবশ্যই বছর ব্যাপী পরিকল্পনা ও তার আউটপুট বিশ্লেষণ করে নিতে হবে। 

১০। মিডিয়া সম্পাদনা

এম এস ওয়ার্ড এ প্রুফ রিডিং, এক্সেল এডিটিং ও শিট তৈরি, ফটো এডিটিং, ভিডিও এডিটিং জানা থাকাটা এখন জরুরী দক্ষতা। পড়াশুনা, পেশাগত জীবনে এই দক্ষতাগুলো থাকলে প্রোমোশন ঠেকায় কে! চাকরি না থাকলে চাকরি পাওয়াও সহজ হয়ে যাবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *