follow us at instagram
Tuesday, August 11, 2020

ধর্ষণ রুখতে ও প্রতিবাদে ধর্ষকের শাস্তির বিষয়ে ভেবেছেন কি?

যে কোন ধর্ষকদেরই দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি হওয়া উচিৎ মনে করে সবাই।
https://taramonbd.com/wp-content/uploads/2020/01/maxresdefault-1-1280x720.jpg

 

‘ধর্ষককে দেয়া হবে নপুংসক ইনজেকশন
কালের কণ্ঠ অনলাইন’

কাশ্মীরের আসিফা(৮বছর) সহ যেকোন ধর্ষকদেরই। দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি একটাই আছে। এদের না মেরে, মহা- দৃষ্টান্ত হিসেবে খোজা করে বাঁচিয়ে রাখা (প্রাচীন চৈনীক প্রকৃয়ায়)। খোজা করার আগে তাদের দুষ্ট অঙ্গ প্রদর্শনের ব্যবস্থা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে করা গেলে অন্যদের নিজেদের কর্মকান্ডের প্রতি সতর্ক হওয়ার ব্যাপারে আর একটু অগ্রগতি যুক্ত হতে পারে কেউ তা (কুৎসিত দৃশ্য) দেখতে যাক বা না যাক।

“ধর্ষণ রুখতে ধর্ষককে দেয়া হবে নপুংসক ইনজেকশন কালের কণ্ঠ অনলাইন” ১৭ জুন, ২০১৯ লেখা টুকু পড়ে, হতবাক। মনে হলো এমনটা কখ্খনই হওয়া উচিত না। তাতে কুকর্ম আরও বাড়বে। তাই, আর ভাবাভাবি বা প্ররচনামুলক আশ্বাসের প্রয়োজন নাই বরং ” দুষ্ট অঙ্গ কর্তন-ই একমাত্র উপায় বর্তমানের অপ্রতিরোধ্য, বর্বরতা পূর্ণ নারকীয় আচরন মোকাবেলায়। তা উশৃংখল নরপিচাশ, পৃথিবীর যে দেশেরই হোক। সে ধর্মপ্রচারক, রাজা-গজা, মন্ত্রী-মিনিস্টার-ই হোক বা হোক সে -রক্ত সম্পর্ক বাবা, চাচা কী -কথিত পাগল। -নির্বিশেষে উল্লেখিত সকলের চরিত্র মেরামত করে দেওয়ার একমাত্র ওষুধ অস্ত্রোপচার করে ওই অঙ্গ ছেদ করা। যে অঙ্গ দ্বারা কেউ অন্যের অঙ্গহানি করবে, তার সেই অঙ্গটি(অঙ্গ গুলি) আইন করে কেটে ফেলার নীতি তৈরি হওয়া অতি জরুরী বর্তমানের বেসামাল পরিস্থিতিতে।

এ ছাড়া, দেখা যাচ্ছে যে ধর্মশালা ও বিচারালয় অচল। এত কালেও কোন সুবিচার প্রতিষ্ঠা না হওয়াতে, রাস্তাঘাটে, যানবাহনে, বিদ্যায়তনে, ধর্ম গৃহে, অফিস-আদালতে, এখন এ তো কোন ব্যাপারই না। এমন কি ঘরেও -খালু, মামা, ‘বাপের বেটা’, অধিনস্ত  কর্মচারী -কে নয়, যাদের অসংযত আচরণে, নবজাতক থেকে বৃদ্ধ, কারোই বলতে গেলে রেহাই নেই। এই সমাজে কোথাও যথার্থ বিচার যে নাই, তা অন্ধের কাছেও পরিষ্কার। এসব ক্ষেত্রে মুষ্টিমেয় মৃত্যুদণ্ড কোন কালেই সমাধান আনতে পারে নাই -আর যে, পারবেও না -এ কথা পাগলও জানে।

ইচ্ছে হয় জানতে যে, এই পৃথিবীতে অন্ততপক্ষে প্রথমবার কোনো একটা দেশে, কেউ এমন ন্যায় সংগত উদাহরণ প্রতিষ্ঠা করেছে। আর সেই থেকে কালো, সাদা -সব মানুষ দেখতে পায় অসভ্যতা রহিত করার কার্যকর ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা হয়েছে!!! মানবিক বলি, সামাজিক বলি, কি ধর্ম ভিত্তিক -নরপিচাশদের শায়েস্তা করার জন্য বোধ হয় বেক্তিত্ব পূর্ণ সুযোগ্য নারী-শাসকের প্রয়োজন! বিচার-সালিশের নামে অন্তত ভুক্তভোগিকে medical investigation এর নামে, জটিল অবাঞ্চিত প্রক্রিয়ার মধ্যে যেতে হবে না কাউকে। বিশ্বময় -দেশ পরিচালক, ধর্ম বিরোধী, দলীয় নেতা থেকে, শুরু করে, ট্রাক ড্রাইভার, বাস কর্মচারী, যারা পুঁজ খেকো পাপিষ্ঠ, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এক কাতারে চলে, -সব গুলিকে এক স্তরের -এক মানুষিকতার সমাজ নাশক প্রাণী হিসেবে চিহ্নিত করা বাঞ্ছনীয়।

বিষয়টা মাথায় রেখে, বলাৎকার ও জালিয়াতদের সুষ্ঠু বিচারের আওতায় আনা জরুরি! জরুরি!! জরুরি!!! পৃথিবীর কোথাও কি কোন সজাগ, সক্ষম, বৈশিষ্ট্যের নেতা-নেত্রী উদয় হবে না -এই কালেও???”

-মাকসুদা হক নাইম (চিত্রশিল্পী) 

**এই লেখাটি লেখিকার একান্ত মতামতের ভিত্তিতে লেখা হয়েছে, যা অন্য কারো মতের সাথে না ও মিলতে পারে। আমরা সবার মতামতকেই সম্মান জানাই। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *